1. [email protected] : shahidul :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিয়ানীবাজারে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আ’টক ১, পলাতক ২ গোলাপগঞ্জে পরিত্যক্ত কাভার্ড ভ্যানে মিলল সোয়া ৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য, চালক পলাতক বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে বিয়ানীবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রচার মিছিল-সমাবেশ মাথিউরা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ফ্রান্সের নতুন কমিটি: সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক লিটন, অর্থ সম্পাদক সুহেল বিয়ানীবাজার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৩৫ পিস ইয়াবাসহ আ’টক ১ নীরব পরিবেশযোদ্ধা নাসিরের উদ্যোগে মুগ্ধ পরিবেশমন্ত্রী, স্বীকৃতি দিল ‘পরিবেশ অধিদপ্তর’ জামায়াতে যোগ দিলেন সিলেট জেলা ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন কাল জকিগঞ্জে যাচ্ছেন সিলেট-৫ আসনের উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি শাম্মী আক্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিয়ানীবাজার পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ান গ্রেপ্তার জুড়ীর ইউএনও মুশফিকীন নূরকে প্র’ত্যাহার

বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেন হত্যার ঘটনায় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ জুলাই, ২০২৩
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়িপাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের বিবদমান দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আলম হোসেন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত ঘটনায় পাঁচজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) বিয়ানীবাজার থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন নিহত ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেনের মা চম্পা বেগম।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায় দ্যা লোকাল টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হচ্ছেন- বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়িপাড়া এলাকার ফয়জুর রহমানের ছেলে শিপন আহমেদ (৩৮), মৃত আপ্তাব আলীর ছেলে দেলওয়ার হোসেন জাহেদ (৩৪), সুনা মিয়ার ছেলে ফুয়াদ আহমদ (৩০), মুছব্বির আলীর ছেলে বাহার উদ্দিন (৩৫) ও আলী উসমানের ছেলে পাবেল আহমদ (৩৫)।

এদিকে, মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের প্রায় সকলেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী হলেও ২নং আসামী দেলওয়ার হোসেন জাহেদ বিয়ানীবাজার উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। তার স্বজনদের দাবি, ঘটনার সাথে দেলওয়ার হোসেন জাহেদের কোন সম্পৃক্ততা না থাকলেও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত বুধবার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড খাসাড়িপাড়াস্থ চুনু মিয়া মার্কটের নিচ তলায় অবস্থিত ছাত্রলীগের কার্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় দলীয় কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় ছাত্রলীগের বিবদমান দুটি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেন।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি করেন স্থানীয়রা। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে সিলেট নগরীর মাউন্ড এডোরা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যক্ষেণে রাখা হয়। সেখানে রাত পৌনে ৮টায় চিকিৎসাধীন মারা যান আলম হোসেন।

বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৬টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্নের পর তার মরদেহ বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়িপাড়াস্থ বাড়িতে পাঠানো হয়।

নিহত ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড খাসাড়িপাড়া এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে এবং ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিকান্দার আলীর ভাগ্নে। সে ছাত্রলীগের স্থানীয় জয় বাংলা ব্লকের একজন সক্রিয় কর্মী।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায় দ্যা লোকাল টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হচ্ছেন- বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়িপাড়া এলাকার ফয়জুর রহমানের ছেলে শিপন আহমেদ (৩৮), মৃত আপ্তাব আলীর ছেলে দেলওয়ার হোসেন জাহেদ (৩৪), সুনা মিয়ার ছেলে ফুয়াদ আহমদ (৩০), মুছব্বির আলীর ছেলে বাহার উদ্দিন (৩৫) ও আলী উসমানের ছেলে পাবেল আহমদ (৩৫)।

এদিকে, মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের প্রায় সকলেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী হলেও ২নং আসামী দেলওয়ার হোসেন জাহেদ বিয়ানীবাজার উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। তার স্বজনদের দাবি, ঘটনার সাথে দেলওয়ার হোসেন জাহেদের কোন সম্পৃক্ততা না থাকলেও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত বুধবার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড খাসাড়িপাড়াস্থ চুনু মিয়া মার্কটের নিচ তলায় অবস্থিত ছাত্রলীগের কার্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় দলীয় কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয় ছাত্রলীগের বিবদমান দুটি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেন।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি করেন স্থানীয়রা। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার বিকাল ৫টার দিকে সিলেট নগরীর মাউন্ড এডোরা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যক্ষেণে রাখা হয়। সেখানে রাত পৌনে ৮টায় চিকিৎসাধীন মারা যান আলম

বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৬টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্নের পর তার মরদেহ বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়িপাড়াস্থ বাড়িতে পাঠানো হয়।

নিহত ছাত্রলীগ কর্মী আলম হোসেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড খাসাড়িপাড়া এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে। সে ছাত্রলীগের স্থানীয় জয় বাংলা ব্লকের একজন সক্রিয় কর্মী।

এই বিভাগে আরও সংবাদ পড়ুন
দ্যা লোকাল টাইমস © ২০২৪ দ্বারা সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত৷