
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টিপাত হলেও তীব্র গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অসহনীয় লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন এ অঞ্চলে গরমের এই তীব্রতা বজায় থাকতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন ও রাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। প্রচণ্ড গরমে শ্রমজীবী মানুষসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) এই উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির দেখা মিললেও ভ্যাপসা গরম কমছে না। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেককে ছাতা মাথায় দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। চাহিদা বেড়েছে লেবুর শরবত ও ঠান্ডা পানীয়র।
বিয়ানীবাজার পৌর শহরের শরবত বিক্রেতা রফিউল আলম জানান, গরম বাড়ায় আগের চেয়ে দ্বিগুণ শরবত বিক্রি হচ্ছে, যা দিয়ে তার সংসার ভালোভাবেই চলছে।
এদিকে গরমজনিত কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও আমাশয় এবং বৃদ্ধদের মধ্যে হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে। তীব্র গরম ও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অসুস্থ রোগীদের ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
এদিকে উপজেলার মাথিউরার ভুক্তভোগী ইমন জানিয়েছেন গরমের জন্য তার মেয়ে পুকুরে অর্ধেক সময় অতিবাহিত করছে। এবং তার দোকানের চার্জার ফ্যান স্টক আউট হয়ে পড়েছে। মানুষের মধ্যে চলছে চার্জার ফ্যান কেনার হিড়িক।