1. [email protected] : shahidul :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘আগামী সপ্তাহে খুলছে ভারতীয় ভিসা’- হুমায়ুন কবির সংরক্ষিত নারী আসন: সিলেটে এমপি হওয়ার দৌড়ে বিএনপির এক ডজন নেত্রী মাথিউরা ইউনিয়ন উন্নয়ন সংস্থা ইউকের সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন মাথিউরায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাকের মাহমুদ, গ্রামবাসীর সাথে মতবিনিময় বিয়ানীবাজার পৌর নির্বাচনে নিজ গ্রামের সমর্থন পেলেন মেয়র পদপ্রার্থী রুমেল জুড়ীতে ১,৩৫০ লিটার তেল জব্দ, বড়লেখায় জব্দ ৭২৫ লিটার নিলামে বিক্রি অবৈধ বালু উত্তোলন: একজনের কারাদণ্ড, ৪ ট্রাক জব্দ সিলেটে চালু হলো ‘কৃষকের হাট’, কম দামে মিলবে পণ্য ঈদের পর বড় ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সালমানের ‘মাতৃভূমি’র মুক্তি পেছালো, শুরু হচ্ছে নতুন ছবির কাজ!

বিয়ানীবাজারে নেই ‘ডাম্পিং স্টেশন’ ।। যত্রতত্র ময়লায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁ’কি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

প্রথম শ্রেণির বিয়ানীবাজার পৌরসভায় কোনো ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নেই। পৌর এলাকার প্রতিদিনের ময়লা ফেলা হচ্ছে যত্রতত্রভাবে একাধিক স্থানে। বর্তমানে প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে লাসাইতলাস্থ পৌর বাস টার্মিনাল ও খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অলিখিতভাবে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে নাগরিকদের।

বিগত দিনে মুড়িয়া ইউনিয়নের কোনাগ্রামে এবং পৌরশহরের লাসাইতলায় ময়লা ফেলা হলে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের মুখে সেসব স্থান থেকে সরে আসা হয়। প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা গঠনের শর্তানুযায়ী, পৌর এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, শিল্প এলাকা ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে। এছাড়া সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও থাকা প্রয়োজন। সর্বোপরি নির্দিষ্ট জনসংখ্যা ও উন্নত অবকাঠামো থাকতে হয়। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিয়ানীবাজার পৌরসভায় গড়ে ওঠেনি ডাম্পিং স্টেশন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৩০শে এপ্রিল বিয়ানীবাজার পৌরসভা গঠিত হয়। ১৭ মে ২০০৫ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়ে ৩১ জুলাই ২০১৭ সালে এটি প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয়। ১৮.১৭ বর্গকিঃমিঃ আয়তনের এই পৌরসভায় লোকসংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। বড় পরিসরের এই জনগুরুত্বপূর্ণ পৌরসভাটিতে কোনো ময়লার ডাম্পিং স্টেশন নেই। ফলে যাবতীয় ময়লা ফেলা হচ্ছে যততত্র ভাবে।

খাসা এলাকার বাসিন্দা সরওয়ার হোসেন বলেন, সড়কের পাশে প্রাইমারী স্কুলের সামনে ময়লাগুলো এনে ফেলা হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।

সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ময়লা অপসারণে হাতেগোনা পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভ্যানচালক ও ট্রাকচালক নিয়োজিত রয়েছেন। সব মিলিয়ে ১৫ জনের বেশী হবেনা। এত অল্প সংখ্যক লোকবল দিয়ে পুরো পৌর এলাকার ময়লা অপসারণ সম্ভব না।পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থায়ী জায়গা ক্রয়ের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্ধ করা হয়েছিল সাড়ে ৪ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও বাজেট বরাদ্ধ করা হয় ৫কোটি বেশি কিন্তু কাগজে বরাদ্ধ থাকলেও ময়লা ফেলার স্থায়ী জায়গার সংস্থান করতে পারেনি পৌরসভা।

বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা নিকুঞ্জ ব্যানার্জি বলেন, বিয়ানীবাজার পৌরসভা ভবিষ্যতে একটি বড় শহরে পরিণত হবে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা ময়লা ডাম্পিংয়ের পরিকল্পিত ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করার চেষ্টা করছি।

এই বিভাগে আরও সংবাদ পড়ুন
দ্যা লোকাল টাইমস © ২০২৪ দ্বারা সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত৷