1. [email protected] : shahidul :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিয়ানীবাজারে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আ’টক ১, পলাতক ২ গোলাপগঞ্জে পরিত্যক্ত কাভার্ড ভ্যানে মিলল সোয়া ৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য, চালক পলাতক বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে বিয়ানীবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রচার মিছিল-সমাবেশ মাথিউরা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ফ্রান্সের নতুন কমিটি: সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক লিটন, অর্থ সম্পাদক সুহেল বিয়ানীবাজার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৩৫ পিস ইয়াবাসহ আ’টক ১ নীরব পরিবেশযোদ্ধা নাসিরের উদ্যোগে মুগ্ধ পরিবেশমন্ত্রী, স্বীকৃতি দিল ‘পরিবেশ অধিদপ্তর’ জামায়াতে যোগ দিলেন সিলেট জেলা ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন কাল জকিগঞ্জে যাচ্ছেন সিলেট-৫ আসনের উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি শাম্মী আক্তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিয়ানীবাজার পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ান গ্রেপ্তার জুড়ীর ইউএনও মুশফিকীন নূরকে প্র’ত্যাহার

পূজায় ঘর সাজাবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৬৬৫ বার পড়া হয়েছে

শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গা উৎসব। এ উৎসব উপলক্ষে ঘর সাজাতে পারেন পছন্দমতো। তবে পূজার সময় ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে উজ্জ্বল রং ও দেশীয় ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।

প্রবেশদ্বার
পূজার সময় মূল দরজার বাইরে গাঁদা ফুলের মালা লাগিয়ে দিতে পারেন। দরজার দুই পাশের দেয়ালে বড় দুটো চাঁদমালাও টাঙিয়ে দিতে পারেন। এ ছাড়া দরজার মুখে বড় দুটি মাটির কলস রাখা যেতে পারে। কলসের গায়ে সাদা খড়িমাটি দিয়ে ফুল-পাতা-কল্কা ফুটিয়ে তোলা যেতে পারে। দরজার সামনে আলপনা করতে পারেন। আলপনার মাঝে বসাতে পারেন প্রদীপ।

আসবাব
পূজার সময় ঘরের জন্য চাইলে নতুন আসবাব কেনা যায়, আবার পুরোনো আসবাবকে নতুন রূপ দেওয়া যেতে পারে। পেইন্ট করে আসবাবে নতুন ভাব আনা যেতে পারে। এ ছাড়া ঘরে নতুনত্ব আনতে আসবাবের জায়গা পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ। ঘর সাজাতে অনেকেই নতুন ডিভান, দোলনা, আঁকা টুল, রকিং চেয়ার, ছোট টেবিলের মতো শৌখিন আসবাব কেনেন। নতুন আসবাব কিনতে না চাইলে পুরোনো আসবাব বার্নিশ করে নতুন রূপ দিতে পারেন। চকচকে আসবাবে ঘরজুড়ে উৎসবের আমেজ আসবে।

বসার ঘর
পূজায় মেহমান ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটানো বা আড্ডা দেওয়া হয় সবার ঘরেই। তাই বসার ঘরকে সাজিয়ে তুলতে হবে নান্দনিকভাবে। সোফায় উজ্জ্বল রঙের কুশন রাখতে পারেন। এ ছাড়া ঘরের কোণে বেতের ল্যাম্প রাখা যেতে পারে, যার স্নিগ্ধ আলো আপনার ঘরকে আরও বেশি সুন্দর করে তুলবে। বসার ঘরে সবুজের ছোঁয়া দিতে ইনডোর প্লান্ট রাখতে পারেন। কয়েকটি ছোট গাছ রাখলে ঘরের লুক বদলে যাবে। সম্ভব হলে একটি অ্যাকোরিয়ামও রাখা যেতে পারে। এ ছাড়া ঘরের খালি জায়গায় মাটির তৈরি শোপিস রাখা যেতে পারে। ঘরকে গ্রামীণ স্টাইলে সাজাতে চাইলে কুলা কিংবা রং করা হারিকেন এনে রাখতে পারেন৷ মেহমানের সংখ্যা বেশি হলে বসবার ঘরে শীতলপাটি বিছিয়ে দিতে পারেন৷

শোবার ঘর
শোবার ঘরের সুন্দর বিছানার চাদর পুরো ঘরের চেহারাই বদলে দিতে পারে। বিছানায় হালকা ও চোখের আরাম দেবে, এমন রঙের চাদর ভালো লাগবে। পূজার সময় নকশিকাঁথার চাদর বিছিয়ে নিতে পারেন। কিংবা কটনের ব্লক প্রিন্টের চাদর দিতে পারেন। পূজার দিনগুলোয় লাল, কমলা, রয়্যাল ব্লুয়েরমতো উজ্জ্বল রংগুলোকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে। তবে আপনি যদি ঘরজুড়ে স্নিগ্ধতা চেয়ে থাকেন, তবে সাদা, আকাশি, হালকা গোলাপি রঙের চাদর বিছিয়ে দিতে পারেন। বিছানার চাদরের সঙ্গে মিল রেখে ঘরের পর্দা টাঙিয়ে দিলে আরও ভালো লাগবে। শোবার ঘরের দেয়ালে নতুন কিছু পেইন্টিং ঝুলিয়ে দিতে পারেন। বসার ঘরে ডিভানে উজ্জ্বল রঙের চাদর মন্দ লাগবে না। ঘরের সাইড টেবিলে একটা বাটিতে করে কিছু শিউলি ফুল রাখতে পারেন।

আলোর ব্যবহার 
পূজায় ঘর সাজাতে বিভিন্ন কৃত্রিম লাইট ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্যবহারের আগে ঘরের সাইজের কথা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। একসেন্ট লাইট ব্যবহার করতে পারেন। একসেন্ট লাইটিং নির্দিষ্ট কোনো একটি জিনিসকে হাইলাইট করে রাখবে। এ ছাড়া স্পটলাইট, ওয়াল ব্রাকেট কিংবা হালকা হলুদ রঙের ল্যাম্প রাখা যেতে পারে। খাবার টেবিলের ওপরে বেতের ঝুলন্ত লাইট ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া পূজার সময় অনেকেই কাঁসার প্রদীপ কিংবা পুরো ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেন। তাতে ভিন্নমাত্রার সৌন্দর্য যোগ হয়।

খাবার পরিবেশন
পূজার দিন খাবার টেবিল ভিন্নভাবে সাজালে উৎসবের পূর্ণতা পাবে, তেমনি মুগ্ধ করবে অতিথিদের। এ দিনগুলোয় খাবার টেবিলে পুরোনো রানারগুলো পরিবর্তন করে করে ফেলুন। ষষ্ঠীর দিন টেবিলে রানারের পরিবর্তে উজ্জ্বল রঙের বাটিকের কাপড় ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তমীর দিন ফুল দিয়ে টেবিল সাজাতে পারেন। অষ্টমী, নবমী ও দশমীতেও রাখতে পারেন ভিন্ন ভিন্ন রঙের টেবিল ক্লথ। খাবার পরিবেশনার জন্য ষষ্ঠী থেকে নবমী বা দশমীর সকাল পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন কাঁসা বা পিতলের থালা, বাটি, গ্লাস বা বিভিন্ন তৈজসপত্র। অষ্টমীর দিন খাবার পরিবেশনে ব্যবহার করতে পারেন কলাপাতা। সরাসরি কলাপাতায় নয়, খাবার পরিবেশনার জন্য বড় থালায় বিছিয়ে দিতে পারেন কলাপাতাগুলো। পাতার ওপর সারি সারি সাজিয়ে দিন বিভিন্ন খাবারের বাটি। পাতার ব্যবহার পূজার দিনে খাবার পরিবেশনের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনবে। নবমীর দিনে মাটির বাসনকোসনে খাবার পরিবেশন করতে পারেন। দশমীর দিন মুড়ি, মুড়কি, মোয়া রাখার জন্য বাঁশ বা বেতের তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করতে পারেন। দই রাখার জন্য ব্যবহার করুন মাটির হাঁড়ি। মিষ্টি রাখার জন্য কাঁসা বা পিতলের পাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া এই দিনে দুপুরে কাঁসার থালা-বাটির পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন চীনামাটির পাত্র।

ফুল ও গাছের ব্যবহার 
পূজার পুরো সময় বাড়িতে ফুলের ব্যবহার করুন। এই দিনগুলোয় ঘরে তাজা ফুল রাখার চেষ্টা করুন। এতে ঘরের শোভা আরও বেড়ে যাবে ৷ ফুলের রূপ ও সুগন্ধ পূজার আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে আপনাকে যুক্ত রাখতে সহায়তা করবে। ঘরে গাছ রাখলে পুরো ঘরের সৌন্দর্যই পাল্টে যাবে। অ্যালোভেরা, মানি প্লান্ট, লাকি ব্যাম্বু, লিলি কিনে আনুন এবং ঘরের বিভিন্ন কোণায় সেগুলো সাজিয়ে রাখুন। গাছগুলো রঙিন মাটির পাত্রে রাখা যেতে পারে। এতে ঘরের শোভা আরও বেড়ে যাবে।

এই বিভাগে আরও সংবাদ পড়ুন
দ্যা লোকাল টাইমস © ২০২৪ দ্বারা সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত৷